BDChan is hopefully switching to Lynxchan soon. Test the alpha instance here: https://alpha.bdchan.com/ and let us know your feedback

/n/ - News

Like people read news nowadays.

Allowed file extensions: jpg, jpeg, gif, png, mp4. Max file size: 1M
কক্সবাজারে দুটি কটেজে অভিযান, পতিতা-খদ্দেরসহ আটক ২১ Anon #14353 · 3 weeks ago
foto-no-exif.jpg
কক্সবাজার শহরের লালদিঘি পাড়ের পাঁচতারা ও আহসান বোডিংয়ে অভিযান চালিয়ে পতিতা ও খদ্দেরসহ ২১ জন নারী পুরুষে আটক করেছে পুলিশ। এসময় বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম, যৌন উত্তেজক মেডিসিনসহ ২ বস্তারও অধিক কনডম উদ্ধার করা হয়। সোমবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সদর মডেল থানার অপারেশন অফিসার সেলিম উদ্দিনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটক ২১ জনের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ ৭ জন মহিলা। প্রাথমিকভাবে তাদের পরিচয় জানায়নি পুলিশ।জানা যায়, শহরের লালদিঘীর পাড় এলাকার মৃত সৈয়দ নুরের ছেলে রমজান আলী সিকদারের মালিকানাধীন হোটেল পাঁচতারা ও মৃত আহসান উল্লাহর ছেলে শহর আলীর মালিকানাধীন আহসান বোর্ডিংয়ে প্রতিনিয়ত অসামাজিক কার্যকলাপ চলে। অফিস-আদালতে আসা সাধারণ মানুষ এবিষয়ে অস্বস্তিবোধ করে এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে চলাফেরায়ও পড়তে হয় বিব্রতকর পরিস্থিতিতে। সাধারণ মানুষের অভিযোগের ভিত্তিতে থানা পুলিশ এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে একটি সুত্র দাবী করে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দে।তিনি জানান, শহরের লালদীঘি পাড়ের হোটেলগুলোতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান পরিচালিত হয়। আগে সিভিল পোশাকে সন্ধ্যায় খদ্দের সেজে পাঁচতারা ও আহসান বোর্ডিংয়ে কিছু অফিসার অবস্থান নিয়ে অভিযান পরিচালনা করে দুই বোর্ডিংয়ে ১৪ খদ্দের ও ৭ পতিতা আটক করা হয়েছে। পতিতাবৃত্তির দায়ে এসব হোটেলের মালিকদেরও আইনের আওতায় আনা হবে এবং এ অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানান তিনি।
File: foto-no-exif.jpg ( 10.63 KB , 185x272 )
জয়ার জ্বর, ডেঙ্গু পরীক্ষার অপেক্ষায় Anon #87 · 2 years ago
সারাদেশে ডেঙ্গু নিয়ে আতঙ্কের সময় জ্বর হলেও সবাই পরীক্ষা করাচ্ছে। কারণ জ্বর সাধারণ নাও হতে পারে। তবে এবার অভিনেত্রী জয়া আহসানের জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার খবর মিলেছে। অভিনেত্রীর ঘনিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া।Sauce: http://www.somoynews.tv/pages/details/167946/
বাংলাদেশের জলসীমা থেকে ২২ জেলেকে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের নৌবাহিনী Anon #7932 · 2 months ago
.jpeg
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের পূর্বদিকের সাগর থেকে তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপের পূর্বদিকে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় চারটি ট্রলারসহ ২২ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের নৌবাহিনী। শনিবার (২০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাংলাদেশের জলসীমা থেকে এসব জেলেকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয় বলে নিশ্চিত করেছেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আহমদ।ট্রলারগুলোর মালিকরা হলেন- সেন্টমার্টিনের মোহাম্মদ আজিম, নুরুল আমিন, হোসেন আহমদ ও মোহাম্মদ ইউনুস।সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নুর আহমদ জানান, মিয়ানমারের নৌবাহিনী ধরে নিয়ে যাওয়ার পর মোবাইল ফোনে জেলেদের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। জেলেরা জানিয়েছে তাদের নৌবাহিনীর জাহাজে তোলা হয়েছে এবং ট্রলারগুলো জাহাজে বেঁধে রাখা হয়েছে। এখন মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় যোগাযোগ সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ (ইউএনও) সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে টেকনাফ ইউএনও পারভেজ চৌধুরী ঢাকা ট্রিবিউনকে বলেন, বিষয়টি তিনি জানতে পেরেছেন। এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে বিজিবি ও কোস্টগার্ডকে জানানো হয়েছে।
File: .jpeg ( 62.87 KB , 482x427 )
They finally caught this clown. Anon #4699 · 3 months ago
mufti-ibrahim-detained-1632826807570.jpg
এঁবাঁরঁ দেঁখীঁ কেঁমঁনেঁ ইঁন্টাঁরঁভিঁউঁ নেঁয়ঁ কঁরোঁনাঁ ভাঁইঁরাঁসেঁরঁ
File: mufti-ibrahim-detained-1632826807570.jpg ( 166.09 KB , 1024x650 )
‘কারো বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে’ Anon #20 · 2 years ago
বার বার সতর্ক করার পরও কারো বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলাম। এদিকে, নিয়ন্ত্রণহীন এডিসের কামড়ে ডেঙ্গু পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বলে স্বীকার করে নিলেন দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন। তিনি জানান, যে কোনো পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের সব সংস্থা তৎপর রয়েছে। ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে শুক্রবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তারা একথা বলেন। Sauce: https://www.kalerkantho.com/online/national/2019/07/27/796578Actual Quote by the Mayor: >মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, একটি এলাকায় বলে আসার পরও যদি সেখানে গিয়ে মশার বংশবিস্তারে সহায়তা করে এমন কিছু পেলে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আমরা ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।
এডিস মশার প্রজনন ক্ষমতা রোহিঙ্গাদের মতো, নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী Anon #23 · 2 years ago
হঠাৎ করে এডিস মশা বেড়ে যাওয়ার কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, ‘এডিস মশার প্রজনন ক্ষমতা রোহিঙ্গাদের মতো, যে কারণে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। বাংলাদেশে ডেঙ্গু হঠাৎ করেই বেশি হওয়ার কারণ এডিস মশা বেশি বেড়ে গেছে। এই মশাগুলো অনেক হেলদি ও সফিস্টিকেটেড, তারা বাসাবাড়িতে বেশি থাকে।’Sauce: http://www.banglatribune.com/national/news/514413>Compares them with Rohingas >হেলদি ও সফিস্টিকেটেড
Bidyanondo accusations propaganda or true? Anon #1282 · 1 year ago
IMG-1270.png
(First of all, don't get me wrong. I know what they are doing for the people in need. So let's not mix it up.) I've heard that there was some accusation/rumour against bidyanondo in the past. They used to convert(religion) villagers or something like that idk. was the accusation valid? will someone care to explain or provide some news links about the accusation please!
File: IMG-1270.png ( 19.77 KB , 487x229 )
N.E.W.S. Story Anon #1544 · 1 year ago
His-Step-Moms-Hand-Rubbed-against-his-Cock.jpg
I'v seen so many different stories being circulated about this picture that I'm no longer interested in finding what really happened. Let's make up some crazy story with this image.. les go...
করোনার মধ্যে হাজার কোটি টাকার স্টেডিয়াম বানাচ্ছে চীন Anon #1252 · 1 year ago
china.png
I ain't know conspiracy theorist, but seems kinda suspicious. https://www.prothomalo.com/sports/article/1652410/corona-china-stadium
File: china.png ( 447.76 KB , 640x359 )
Sergio ramos leave RM Anon #2929 · 7 months ago
ramos-leaves.jpg
One line for this incredible player !
File: ramos-leaves.jpg ( 46.11 KB , 650x365 )
Argentina VS Brazil Final Anon #3183 · 6 months ago
index.jpg
Who gonna win it ?
File: index.jpg ( 14.85 KB , 300x168 )
When will Coronavirus come under control Anon #1435 · 1 year ago
5b9179ffd4277e86cd0f.jpg
Everyday it's 3000-4000 people and it's been like that for weeks now, wtf?
File: 5b9179ffd4277e86cd0f.jpg ( 90.01 KB , 820x875 )
ঢাকাবাসীর দুর্ভোগ চলবে ২০৫০ সাল পর্যন্ত Anon #13923 · 3 weeks ago
ঢাকার ব্যস্ততম সড়কগুলোর একটি মিরপুর-ফার্মগেট-মতিঝিল সড়ক। ২০১৭ সালে এ সড়কে শুরু হয় মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ। শুরুর পর থেকে দিন যত গড়িয়েছে, তত বেড়েছে মানুষের দুর্ভোগ। সংকুচিত হয়ে যাওয়া রাস্তা, ফেলে রাখা নির্মাণসামগ্রী আর খোঁড়াখুঁড়িই এ দুর্ভোগের কারণ। জলাবদ্ধতা, অসহনীয় যানজট বর্তমানে রাজধানীর অন্যতম প্রধান এ সড়কটির নিত্যসঙ্গী, যা প্রভাব ফেলছে ঢাকার অন্যান্য সড়কেও। মেট্রোরেলের কাজ শেষ হবে ২০২৪ সালে। ততদিন দুর্ভোগ সঙ্গী করেই সড়কটি ব্যবহার করতে হবে ঢাকাবাসীকে।বিমানবন্দর-গাজীপুর সড়কে চলছে বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের নির্মাণকাজ। ঢাকা-ময়মনসিংহ জাতীয় মহাসড়কের ঢাকা-গাজীপুর অংশে পড়েছে এ প্রকল্প। সড়কটির মাঝখান দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিআরটি লেন। যান চলাচলের জায়গা কমে আসায় দিন-রাত ২৪ ঘণ্টাই যানজট লেগে থাকে এ সড়কে। সামান্য বৃষ্টি হলেই দেখা দেয় জলাবদ্ধতা, যা যানজট পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তোলে। ২০১৭ সালে বিআরটির নির্মাণকাজ শুরুর পর থেকে বেহাল দশায় চলে গেছে সড়কটি।যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের কারণে ঢাকাবাসী এমন দুর্ভোগ থেকে সহসাই মুক্তি পাচ্ছে না। উত্তরা-মতিঝিল মেট্রোরেল ছাড়াও ঢাকায় আরো পাঁচটি মেট্রোরেল লাইন নির্মাণ করা হবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এগুলো সম্পন্ন হবে ২০৩০ সালের মধ্যে। তবে বাস্তব পরিস্থিতি বলছে, ঢাকার সবক’টি মেট্রোরেলের কাজ শেষ করতে আরো কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে। ২০২৭ নাগাদ তৈরি হওয়ার কথা আরেকটি বিআরটি লেন। ঢাকা এবং ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ সম্পন্ন হতে লেগে যাবে আরো কয়েক বছর। পরিকল্পনাধীন তিনটি রিংরোড, ৮১ কিলোমিটারের বৃত্তাকার রেল, ২৫০ কিলোমিটারের বেশি সাবওয়ে নেটওয়ার্কের নির্মাণ শেষ হবে ২০৫০ সালে। অর্থাৎ ঢাকাবাসীকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত চলমান উন্নয়নকাজের দুর্ভোগ সঙ্গী করেই চলাচল করতে হবে।বিক্ষিপ্তভাবে ঢাকার যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো মানুষকে দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভোগের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. হাদিউজ্জামান। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ঢাকায় সড়ক কম, গাড়ি বেশি। স্বাভাবিকভাবে চলতে-ফিরতেই মানুষের অনেক দুর্ভোগ হয়। এর মধ্যে একসঙ্গে যদি অনেকগুলো সড়কের ওপর উন্নয়নকাজ চলে, তাহলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করবে। আমরা কিন্তু সেই ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকেই এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের উচিত ছিল বিক্ষিপ্তভাবে প্রকল্প না নিয়ে সমন্বিতভাবে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা। একটা প্রকল্পের কাজ শেষ হলে আরেকটির কাজ শুরু করা। তা না করে আমরা একসঙ্গে সব প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে মানুষকে সীমাহীন দুর্ভোগের দিকে ঠেলে দিচ্ছি।বর্তমানে ঢাকায় একটি মেট্রোরেল লাইনের কাজ চলমান। ২০২২ সাল নাগাদ ঢাকায় আরো দুটি মেট্রোরেল লাইনের কাজ শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। এর মধ্যে বিমানবন্দর-কমলাপুর, বিমানবন্দর-পূর্বাচলে নির্মাণ হবে এমআরটি-১। আমিনবাজার-গাবতলী থেকে নতুনবাজার-ভাটারায় নির্মাণ হবে এমআরটি-৫। বিদ্যমান সড়কগুলোর পাতাল ও উড়ালপথে নির্মাণ করা হবে এগুলো। লাইন দুটির একটি বড় অংশ হবে পাতালপথে। কিছু অংশ তৈরি হবে উড়ালপথে। যথাক্রমে ২০২৬ ও ২০২৮ সাল নাগাদ প্রকল্প দুটি শেষ হওয়ার কথা। কাজ শুরু হলে আমিনবাজার-গাবতলী-নতুনবাজার-ভাটারা, বিমানবন্দর-কমলাপুর ও নতুনবাজার-পূর্বাচল সড়কে যাতায়াতে দুর্ভোগে পড়বে ঢাকাবাসী। একইভাবে ২০৩০ সালের মধ্যে আশুলিয়া-সাভার-গাবতলী থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে কমলাপুরে এমআরটি-২ ও কমলাপুর-নারায়ণগঞ্জের মধ্যে এমআরটি-৪-এর নির্মাণকাজ অব্যাহত রাখবে ঢাকাবাসীর দুর্ভোগ।মেট্রোরেলের কাজ শেষ হওয়ার আগেই সাবওয়ের কাজ শুরু করতে চায় সেতু কর্তৃপক্ষ। সংস্থাটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে ১০২ কিলোমিটার, ২০৪০ সালের মধ্যে আরো ৮৫ কিলোমিটার এবং শেষ ধাপে ২০৫০ সালের মধ্যে ৭১ কিলোমিটার সাবওয়ে লাইন নির্মাণের পরিকল্পনার কথা জানায় সংস্থাটি। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু হলে ১১টি সাবওয়ের নির্মাণকাজে দীর্ঘদিনের জন্য দুর্ভোগে পড়বে ঢাকাবাসী।বর্তমানে বিমানবন্দর-গাজীপুরে একটি বিআরটি লেনের কাজ চলমান। ২০২৭ সালের মধ্যে গুলিস্তানের মধ্যে আরেকটি বিআরটি লেন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। কাজ শুরু হলে গুলিস্তান-নারায়ণগঞ্জ সড়কে যাতায়াতও কঠিন হবে উঠবে। সম্প্রতি শুরু হয়েছে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ। মেয়াদ ২০২২ সাল পর্যন্ত হলেও দেরিতে শুরু করার কারণে শেষ করতে কয়েক বছর সময় লেগে যাবে। নির্মাণকাজ চলাকালে সাভার-আশুলিয়া-বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর-বিমানবন্দর সড়কে যাতায়াতে দুর্ভোগে পড়বে ঢাকাবাসী।তবে এ প্রকল্পের কাজ চলাকালে মানুষ যেন খুব বেশি দুর্ভোগে না পড়ে সেজন্য বিকল্প সড়কের সংস্থান রাখার কথা বণিক বার্তাকে জানিয়েছেন সেতু বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক। তিনি বলেন, বিআরটি প্রকল্পে জনভোগান্তি হয়েছে। এটা মাথায় রেখেই আমরা ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ চলাকালে একটি বিকল্প সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করেছি। নির্মাণকাজ চলাকালে যানবাহনগুলো সড়কটি ব্যবহার করবে। এ উদ্যোগ জনভোগান্তি লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন তিনি।ঢাকাকে ঘিরে ৮১ কিলোমিটারের একটি বৃত্তাকার রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এরই মধ্যে একটি সম্ভাব্যতা সমীক্ষাও করেছে সংস্থাটি। ৭১ কিলোমিটার উড়ালপথে, ১০ কিলোমিটার পাতালপথের এ বৃত্তাকার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পটি এখনো অনুমোদন না হলেও ২০৩৫ সালের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। নির্মাণকাজ শুরু হলে প্রকল্পটিও দীর্ঘদিনের জন্য ঢাকাবাসীর ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।এসবের বাইরে ঢাকায় একাধিক রিংরোড, ফ্লাইওভার-ওভারপাস, ফুটপাত-ফুটওভারব্রিজসহ যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে নানাবিধ প্রকল্প চলমান ও পরিকল্পনাধীন অবস্থায় রয়েছে। এসব প্রকল্পের কারণেও দীর্ঘমেয়াদি দুর্ভোগে পড়ছে মানুষ।উন্নয়ন প্রকল্পে জনদুর্ভোগের বিষয়টি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্বে) নীলিমা আখতার বলেন, ঢাকায় যানজট পরিস্থিতি ও ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা অনেক চ্যালেঞ্জের। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে জনভোগান্তি সবচেয়ে কম পর্যায়ে রাখার বিষয়টিকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে থাকি। তার পরও বাস্তবে দেখা যায়, উন্নয়নকাজের কারণে মানুষের ভোগান্তি হয়। মেট্রোরেল, বিআরটি, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, সাবওয়ে, সার্কুলার রেলের মতো অনেকগুলো বড় প্রকল্প বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন ও ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে। জনভোগান্তি সবচেয়ে কম মাত্রায় রেখে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে সমন্বয়ের মাধ্যমে সেগুলো বাস্তবায়ন করা। আমরা সেই কাজটিই করে যাচ্ছি। সূত্র: বণিক বার্তা